আমি মনে করি এগুলো ফেতনা ছাড়া আর কিছুই না: শিশির মনির বাংলাদেশ News

আমি মনে করি এগুলো ফেতনা ছাড়া আর কিছুই না: শিশির মনির

আমি মনে করি এগুলো ফেতনা ছাড়া আর কিছুই না: শিশির মনির

আমি মনে করি এগুলো ফেতনা ছাড়া আর কিছুই না: শিশির মনির

শিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল শিশির মনির তার নিজের ফেসবুকে এ কথা লিখেছেন।

শিশির মনিরের ফেসবুক লিখেছেন, ২৭ এপ্রিল তারিখকে সামনে রেখে কেউ কেউ আমার নাম ব্যবহার করার চেষ্টা করছেন মর্মে আমার নজরে এসেছে।

২৭ এপ্রিলের সাথে আমার দূরতম কোন সম্পর্ক ছিল না, এখনও নেই এবং ভবিষ্যতেও থাকবে না।

আমি মনেকরি এগুলো ফেতনা ছাড়া আর কিছুই না।

দৃঢ়তা, অনঢ় মনোবল ও কঠোর পরিশ্রমই আমাদের পথ।

তিনি আরো লিখেছেন, Ground Reality (বাস্তব অবস্থা) বুঝতে পারাই প্রজ্ঞাবান ব্যক্তিত্বের কাজ।বাংলাদেশের বর্তমান Ground Reality আর অন্য দেশের Ground Reality এক নয়।সেজন্য সমাধানের পথও এক হবে না।

 

আরো পড়ুন

জামায়াতের আন্দোলন ও রাজনীতির নিবিড় পর্যবেক্ষক সাবেক সচিব শাহ আব্দুল হান্নান বলেছেন, জামায়াতের মধ্যে কোন সংস্কার হয়নি বলে উল্লিখিত বক্তব্য সঠিক নয়। এর মধ্যে জামায়াতের কার্যক্রমে অনেক সংস্কার ও অগ্রগতি হয়েছে। জামায়াত নারীদের সংসদ সদস্য নির্বাচিত করে সংসদে পাঠিযেছে। উপজেলার মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত করেছে অনেককে। জামায়াতের নারী সদস্যের সংখ্যা এখন অর্ধেকের কাছাকাছি পৌঁছেছে। মেয়েদের রুকন করার ব্যাপারে কড়াকড়ি শিথিল করা হয়েছে। দলের সংখ্যালঘু সদস্য করা হয়েছে ৮০ হাজারের কাছাকাছি। সামনে এ সংখ্যা আরো বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

জনাব শাহ হান্নান পাকিস্তানের জামায়াতে ইসলামী আর বাংলাদেশ জামায়াত এক নয় বলে উল্লেখ করে বলেন, বর্তমান জামায়াতে ইসলামী ১৯৭৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।স্বাধীনতার সময়ের ভূমিকার জন্য তাদের ক্ষমা চাওয়ার বিষয়টি প্রাসঙ্গিক নয়। এর পরও দলের সাবেক আমীর অধ্যাপক গোলাম আযম জেল থেকে মুক্তি পাবার পর বায়তুল মোকাররমে জামায়াতের বিশাল জনসভায় ১৯৭১ সালে জামায়াতের সে সময়ের রাজনৈতিক ভূমিকার জন্য দু:খ প্রকাশ করেছেন। প্রয়োজন মনে করা হলে এখন আবারো ক্ষমার বিষয় বিবেচনা করা যেতে পারে।

জামায়াতের নাম পরিবর্তন প্রসঙ্গে জনাব শাহ হান্নান বলেন, রাজনৈতিক দলের কিছু ঐতিহাসিক নাম রয়েছে। যেমন মুসলিম লীগ ভারতে, পাকিস্তানে ও বাংলাদেশে রয়েছে । একইভাবে জামায়াতে ইসলামীও ভারত পাকিস্তান এমনকি শ্রীলঙ্কায়ও রয়েছে। ১৯৭৯ সালে এখানে যে জামায়াত প্রতিষ্ঠিত হয়েছে সেটি নতুন জামায়াতে ইসলামী। একেবারে অল্প সংখ্যক রয়েছেন যারা স্বাধীনতা পূর্ব জামায়াতের সাথে যুক্ত ছিলেন।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সংবিধান, রাজনৈতিক বাস্তবতা এসব কিছু মেনে নিয়েই জামায়াত এখানে কাজ করছে। জামায়াতের বিলুপ্তির প্রয়োজন আছে বলে মনে হয় না। এরপরও জামায়াত হয়তো রাজনৈতিক কর্মকান্ড থেকে সরে আসতে পারে। ইসলামের প্রচার ও সমাজ কল্যাণমূলক কাজ দলের নতুন ফোকাস হতে পারে। আর কল্যাণমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার কর্মসূচি নিয়ে ভিন্ন কোন রাজনৈতিক দল প্রতিষ্ঠিত হতে পারে।

ব্যারিষ্টার আব্দুর রাজ্জাকের পদত্যাগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমি এই সিদ্ধান্তটিকে সঠিক বলে মনে করি না। কোন সংগঠন বা ফোরামে সবার সব পরামর্শ গৃহীত হবে এমনটি বাস্তব সম্মত নয়। এরপরও এটি তার অধিকার। আমি তার সব ধরনের কল্যাণ কামনা করি।

Other News