'ছাত্রলীগেই ভিড়ছেন ভিপি নুর!' শীর্ষক খবর প্রসঙ্গে এ কী বললেন নুর! বাংলাদেশ News

'ছাত্রলীগেই ভিড়ছেন ভিপি নুর!' শীর্ষক খবর প্রসঙ্গে এ কী বললেন নুর!

'ছাত্রলীগেই ভিড়ছেন ভিপি নুর!' শীর্ষক খবর প্রসঙ্গে এ কী বললেন নুর!

'ছাত্রলীগেই ভিড়ছেন ভিপি নুর!' শীর্ষক খবরটি বেশ কিছু গণমাধ্যমে আসার প্রেক্ষিতে নিজের ফেসবুকে মুখ খুললেন সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে গড়ে ওঠা বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক, ডাকসুর সদ্য নির্বাচিত সহসভাপতি (ভিপি) নুরুল হক নুর।

নুরুল হক নুর লিখেছেন, 'বাহ! কখনো জামাত-শিবির বলে অপপ্রচার চালায় আবার ক্রেডিট নিতে নিজেদের সংগঠনের লোক বানায়! সার্কাস হয়ে গেল না?'



অনশনকারীদের প্রতি একাত্মতা ভিপি নুরের
দাবানল জ্বলে ওঠার আগেই ব্যবস্থা নিন

রোকেয়া হলে অনশনরত ছাত্রীদের হেনস্থাকারী ছাত্রলীগ নেতাদের উপযুক্ত শাস্তি দাবি করেছেন ডাকসুর নবনির্বাচিত ভিপি নুরুল হক নুর। তিনি অনশনকারী ছাত্র-ছাত্রীদের আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করে বলেন, শিক্ষার্থীদের দাবানল জ্বলে ওঠার আগেই অভিযুক্তদের শাস্তি দিন। আজ দুপুরে রোকেয়া হলের অনশনরত শিক্ষার্থীদের কর্মসূচিতে সংহতি জানাতে গিয়ে তাৎক্ষণিক এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিশ^বিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি এ আহ্বান জানান।

নুরু বলেন, রোকেয়া হলের আবাসিক মেয়েরা গতকাল রাত ৯টা থেকে অনশনে বসছে, তাদের দাবি- এই হলের প্রভোস্টের পদত্যাগ, নির্বাচন পুনরায় দেয়া, মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং আন্দোলনকারীদের নিরাপত্তা। আমি আমার বোনদের এই চারটি দাবির সঙ্গে একমত পোষণ করছি। বিশ^বিদ্যালয়ের প্রশাসনকে বলবো তারা যেনো আমার বোনদের সঙ্গে কথা বলে দাবি মেনে নেন।



ভিপি বলেন, গত রাতে আমার বোনদেরকে হেনস্থা করা হয়েছে। যারা ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ে এই ধরনের একটি অপসংস্কৃতির চর্চা বাস্তবায়ন করতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে যেনো প্রশাসন ব্যবস্থা নেয়।


সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, এই হলের প্রাধ্যক্ষ মিডিয়াতে মিথ্যাচার করেছেন। আমার বিরুদ্ধে এবং আমার সহযোদ্ধা ফারুক হাসান, প্রগতিশীল ছাত্রজোটের লিটন নন্দীসহ আমরা সেদিন গিয়েছিলাম রোকেয়া হলে। অভিযোগ পেয়েছিলাম, একটি রুমে ব্যালটে গোপন সিল মারা হচ্ছে। কিন্তু তিনি আমাদেরকে দেখতে দেননি। বরং তিনি আমাদেরকেও নানাভাবে হুমকি-ধামকি দিয়েছেন। একপর্যায়ে তিনি আমাদের মারার জন্য ছাত্রলীগের লেডিমাস্তানসহ কেন্দ্রীয় প্রেসিডেন্ট-সেক্রেটারিকে ডেকেছিলেন। আর আমার বোনেরা যখন তাদের অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে স্লোগান দিচ্ছিলো, তাদেরকেও দেখে নেয়ার হুমকি দেন।

নুর বলেন, আপনারা দেখেছেন, সেই ঘটনায় আমাদের বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা মামলা হয়েছে। তিনি মামলা করেননি। মামলা করেছেন অন্য একজন। কিন্তু অবশ্যই তার সঙ্গে যোগাযোগ করে করেছেন। আমি মনে করি শিক্ষক হিসেবে তিনি তার নৈতিকতার পরিচয় দিতে পারেননি। তিনি এই পদে থাকার যোগ্য নয়।

প্রশাসনকে হুঁশিয়ারি করে দিয়ে ভিপি বলেন, ছাত্রদের দাবানল জ্বলে ওঠার আগেই যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন। এই হলের প্রাধ্যাক্ষকে অবশ্যই পদত্যাগ করতে হবে।

আজকে আমাদের বোনেরা- যারা অনশন করছে তাদের বিভিন্নভাবে হুমকি ধামকি দেয়া হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এর আগেও আমরা দেখেছি, বিভিন্ন আন্দোলনের সময় হুমকি দেয়া হয়েছে। কোটা সংস্কার আনন্দোলনের সময়ও হয়রানী করা হয়েছিলো। আমরা ছাত্রদের সঙ্গে নিয়ে তার উচিৎ জবাব দিয়েছি।

আমরা বিশ^বিদ্যালয় প্রশাসনকে একটি কথাই বলতে চাই, ছাত্রদের জন্য এই বিশ^দ্যিালয়, সুতরাং ছাত্রদের ওপরে আপনারা কোন স্বৈরতান্ত্রিক সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা করবেন না। তাহলে ছাত্ররা সেটা প্রতিহত করবে।

নির্বাচনের দিনের ঘটনা উল্লেখ করে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে নুর বলেন, আমরা যখন সেখানে গেছি, দেখতে চেয়েছি কিন্তু তিনি আমাদের দেড়ঘন্টা অপেক্ষা করিয়েছিলেন। ওই সময় পেছনের দরজা খোলা ছিলো। ওই দরজা দিয়ে সিল মারা ব্যালট সরিয়ে নেয়া হয়েছে। তারা যদি সৎ থাকতো তাহলে কেনো আামাদের দেরি করালো এবং লেডি মাস্তান দিয়ে হামলা করলো। তিনি শিক্ষক হিসেবে থাকার অধিকার হারিয়েছেন।

রাজু ভাস্কর্যের সামনে অনশনরতদের প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে নুর বলেন, সত্য কথা বলার জন্য সংখ্যার প্রয়োজন হয় না। গান্ধিজি ছিলেন, বঙ্গবন্ধু ছিলেন। দু’জনও যদি এর প্রতিবাদ করে তার যৌক্তিকতা রয়েছে, দৃষ্টান্ত রয়েছে।

বলেন, ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে একটি ছেলে- আখতার হোসেন অনশন করেছিলো। তার আহ্বানেই শিক্ষার্থীরা সাড়া দিয়ে তীব্র আন্দোলন করেছিলো এবং সফল হয়েছেন।

আমি প্রশাসনকে অনুরোধ করবো তারা দায়সারা বক্তব্য না দিয়ে ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের পরিস্থিতিকে স্বাভাবিক রাখতে শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নিন।
অনশনরত শিক্ষার্থীদের কাছে না যাওয়া এবং দাবি না মানার ব্যাপারে তিনি বলেন, এটি তাদের শিক্ষার্থীদের প্রতি তাদের দায়িত্বহীনতা। কারণ তারা তাদের একটিবার খোঁজ নিতে পারতেন। প্রাধ্যক্ষ কেনো সৎসাহস নিয়ে তাদের সামনে আসতে পারেননি?

 

মার্চেই ফের ডাকসু নির্বাচন দাবি
ভিসির কাছে ৫ প্যানেলের যৌথ স্মারকলিপি ; প্রাধ্যক্ষের পদত্যাগ চেয়ে রাত-দিন বিক্ষোভ রোকেয়া হলে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদে (ডাকসু) বিতর্কিত ও অনিয়মের নির্বাচন বাতিলের দাবি জানিয়ে বিক্ষোভ করছেন বিভিন্ন প্যানেলের হয়ে নির্বাচনে অংশ নেয়া প্রার্থীরা। দাবি আদায়ে ভিসিকে স্মারকলিপিও দিয়েছেন তারা। এর আগে ভিসির কার্যালয় অবরোধ এবং আগামী শনিবারের মধ্যে নির্বাচন বাতিল করে পুনঃতফসিল না দিলে কঠোর আন্দোলনের মাধ্যমে বিশ^বিদ্যালয় অচল করে দিতে বাধ্য হবেন বলে জানান বিক্ষোভকারীরা। অন্য দিকে পৃথক বক্তব্যে ৩১ মার্চের মধ্যেই সব পদে পুনরায় নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন নবনির্বাচিত ভিপি নুরুল হক নূর।

ছাত্রলীগ বাদে ভোট বর্জনকারী ডাকসুর পাঁচটি প্যানেল নতুন করে নির্বাচন চেয়ে গতকাল বুধবার দুুপুরে ভিসির কার্যালয়ে স্মারকলিপি প্রদানের পর ভিসির প্রতিক্রিয়া নিয়ে সাংবাদিকদের সামনে কথা বলেন বাম ছাত্রজোটের ভিপি প্রার্থী ও বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের নেতা লিটন নন্দী। তিনি বলেন, আগামী তিন দিনের মধ্যে যদি ডাকসু নির্বাচন বাতিল করে পুনঃতফসিল দেয়া না হয়, একই সাথে এই নির্বাচন পরিচালনায় যারা যুক্ত ছিলেন, তারা যদি পদত্যাগ না করেন এবং মামলা প্রত্যাহার না করা হয়, তাহলে প্রতিষ্ঠানের গৌরব রক্ষার্থে আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অচল করে দিতে বাধ্য হবো।

তিনি আরো বলেন, আমরা ভিসিকে বলেছি- আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেয়া হয়েছে, সেগুলো প্রত্যাহার করতে হবে। যারা বিশ্ববিদ্যালয়ে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করে, তাদের ছাড় দেয়া হবে না; বরং তাদের বিরুদ্ধে ক্রিমিনাল অ্যাক্টের মামলা দেয়া হবে। আমরা বলেছি, বিশ্ববিদ্যালয়ে এত দিন যারা ক্রিমিনাল অ্যাক্ট করলেন, তাদের বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ নেয়া হবে? এর কোনো উত্তর তিনি দেননি।

এর আগে ঢাবির রাজু ভাস্কর্য থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে ভিসি কার্যালয়ের সামনে আসেন পাঁচ জোটের প্রার্থী ও সমর্থকেরা। বিক্ষোভ মিছিলে, ‘প্রহসনের নির্বাচন মানি না মানব না, ‘এক দুই তিন চার, দালাল ভিসি গদি ছাড়’, ‘আমার ভাই অনশনে, প্রশাসন নীরব কেন’, ‘জালিয়াতির নির্বাচন, মানি না মানব না’, ‘ভাইয়ের নামে মামলা কেন, প্রশাসন জবাব চাই’, সেøাগান দেন শিক্ষার্থীরা।
এ দিকে রাজু ভাস্কর্যের সামনে কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতা ও ডাকসু নির্বাচনে জিএস প্রার্থী মুহাম্মদ রাশেদ খাঁন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে শনিবারের মধ্যে বিতর্কিত নির্বাচন বাতিল ঘোষণা করতে হবে। এ নির্বাচনের সাথে জড়িত সব শিক্ষককে অবিলম্বে পদত্যাগ করতে হবে। একই সাথে দল নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য শিক্ষকদের নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠন করে পুনঃতফসিল ঘোষণা করতে হবে। তিনি বলেন, আমরা পাঁচটি প্যানেল একত্র হয়েছি। আপনারা জানেন, প্রতিটি হলে কী পরিমাণ ভোট ডাকাতি হয়েছে। আপনারা দেখেছেন, কুয়েত-মৈত্রী হল, রোকেয়া হলে ব্যালট ভর্তি ভোটট্রাংক পাওয়া গেছে। মেয়েদের হলে আধিপত্য কম থাকা সত্ত্বেও সেখানে যে পরিমাণ ভোট কারচুপি হয়েছে, তাহলে ছেলেদের হলে যা হয়েছে তা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়।

ব্যালট পেপার ছিনতাই ও সিলমারা ব্যালট ভর্তি বস্তা উদ্ধার আর ধীর গতিতে ভোট গ্রহণসহ নানা অনিয়মের মধ্য দিয়ে গত ১১ মার্চ অনুষ্ঠিত হয় জাতির আশা-আকাক্সক্ষার স্থল এবং দেশের মিনি সংসদ খ্যাত ডাকসুর নির্বাচন। শিক্ষকদের পর্যবেক্ষক দল এবং দেশের বিভিন্ন সংগঠন ও ডাকসুর সাবেক ভিপিরা প্রশ্নবিদ্ধ এ নির্বাচন বাতিলের জোর দাবি জানান। বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজারো শিক্ষার্থী তাদের স্বপ্ন চুরির এ নির্বাচন বাতিলের দাবিতে তৎক্ষণাৎ বিক্ষোভ করেন। গতকাল দুপুরে একই দাবিতে ফেটে পড়ে বিশ^বিদ্যালয় ক্যাম্পাস। ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী দুপুর ১২টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে বিক্ষোভ শুরু করেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। পরে সেখান থেকে মিছিল বের করেন তারা। মিছিলটি মধুর কেন্টিনের সামনে দিয়ে কলাভবন প্রদক্ষিণ শেষে ভিসির কার্যালয়ে যায়। সেখানে তারা ভিসিকে স্মারকলিপি দেন।

এরপর আন্দোলনকারীদের সাথে আলোচনা শেষে অপর এক সংবাদ সম্মেলনে পুনর্নির্বাচনের বিষয়ে ভিসি অধ্যাপক ড. মো: আখতারুজ্জামান বলেন, সবার কর্মপ্রয়াস, আন্তরিকতা, সময়, শ্রমকে নস্যাৎ করার এখতিয়ার আমার নেই। প্রত্যেকটি প্রক্রিয়া, প্রত্যেকটি কার্যক্রম রীতিনীতি মেনে হবে।

গত মঙ্গলবার বিকেলে রাজু ভাস্কর্যে সাংবাদিকদের দেয়া বক্তব্যে নবনির্বাচিত ভিপি নুরুল হক নূর ভিপি ও সমাজসেবা পদ বাদে বাকি পদে নতুন করে নির্বাচন দেয়ার দাবি জানান। তবে গতকাল সে দাবি থেকে সরে আসেন তিনি। হাজী মুহম্মদ মুহসীন হলে সাংবাদিকদের দেয়া বক্তব্যে নূর বলেন, নির্বাচিত হিসেবে শিক্ষার্থীদের সব দাবির প্রতি আমার সমর্থন আছে। তিনি বলেন, আমি কখনোই আমার অবস্থান থেকে সরে আসিনি। তাই শিক্ষার্থীদের দাবি অনুযায়ী পুনর্নির্বাচন সব পদেই দিতে হবে। এ সময় ভিপি পদে শপথ নেয়ার বিষয় জানিয়ে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিয়ার মেসেজ পাওয়ার পর শপথের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। ছাত্রদের চাওয়া-পাওয়ার ওপর হবে সে শপথের সিদ্ধান্ত। শিক্ষার্থীরা চাইলেই শপথ নেব, না চাইলে নেব না।

এর আগে গতকাল দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি কার্যালয়ের সামনে পাঁচ প্যানেলের প্রার্থী ও সমর্থকদের বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে নূর বলেন, সমগ্র জাতি চেয়েছিল একটি সুষ্ঠু নির্বাচন হবে; কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন একটি কারচুপির নির্বাচন করেছে। তারা তাদের ছক অনুযায়ী নির্বাচন করেছে। এ বিতর্কিত নির্বাচন বাতিল করে সবার অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন দিতে হবে। আগামী ৩১ মার্চের মধ্যেই এ নির্বাচন দিতে হবে।

ছাত্রদলের বিক্ষোভ : এ দিকে প্রশ্নবিদ্ধ ডাকসু নির্বাচন বাতিল করে পুনরায় নির্বাচনের দাবিতে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করেছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর কেন্টিনের সামনে থেকে শুরু হয়ে বিক্ষোভ মিছিলটি ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ শেষে রাজু ভাস্কর্যের সামনে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। পরে সেখানে ডাকসু পুনর্নির্বাচনের দাবিতে অনশনরত ছাত্রনেতাদের সাথে তারা একাত্মতা প্রকাশ করেন। ছাত্রদলের নেতারা ডাকসুতে ভোট ডাকাতির নির্বাচন বাতিল করে অবিলম্বে ডাকসু নির্বাচনের দাবি জানান। তারা ডাকসুর ইতিহাস কলঙ্কিত করায় বর্তমান ভিসির পদত্যাগও দাবি করেন।

মিছিলে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের আলমগীর হাসান সোহান, মনিরুজ্জামান রেজিন, হুমায়ন কবির, আসাদুজ্জামান আসাদ, মিঞা মো: রাসেল, আব্দুর রহিম হাওলাদার সেতু, আবুল হাসান, রাজিব আহসান পাপ্পু, আবু সাইদ, রজিবুল ইসলাম, মিনহাজুল ইসলাম ভূইয়া, কাজী রওনাকুল ইসলাম শ্রাবণ, পার্থ দেব মণ্ডল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের মেহেদি আল তালুকদার, আবুল বাশার সিদ্দিকী, তানভির রেজা রুবেল, হাফিজুর রহমান, ডাকসুর ভিপি প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান, জিএস প্রার্থী আনিসুর রহমান অনিক প্রমুখ।

প্রাধ্যক্ষের পদত্যাগ চেয়ে রাত-দিন বিক্ষোভ রোকেয়া হল ছাত্রীদের : নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ এনে রোকেয়া হলে পুনর্নির্বাচন এবং হল প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক জিনাত হুদার পদত্যাগ দাবিতে বিক্ষোভ করছেন হলটির ছাত্রীরা। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টা থেকে শুরু হয়ে এ বিক্ষোভ চলে গভীর রাত পর্যন্ত। পরে গতকাল সকালে এবং বিরতি দিয়ে বিকেলেও একই দাবিতে বিক্ষোভ করেন হলের ছাত্রীরা। বিক্ষোভকারীরা ‘কারচুপিরসহ নির্বাচন মানি না, মানব না’, ‘প্রহসনের নির্বাচন মানি না, মানব না’, ‘অবিলম্বে প্রাধ্যক্ষের পদত্যাগ করতে হবে’সহ বিভিন্ন সেøাগান দিচ্ছেন।

প্রসঙ্গত, ডাকসু নির্বাচন চলাকালে রোকেয়া হলে ভোটকেন্দ্রের পাশের একটি কক্ষ থেকে তিন ট্রাংকে ফাঁকা ব্যালট পেপার পাওয়া যায়। নির্ধারিত সময়ের এক ঘণ্টা পর ভোট শুরু এবং তার এক ঘণ্টা পর আবার ভোট বন্ধ হয়।

Other News