কুদ্দুস জীবিত হওয়ায় আবু জাফরের মনোনয়ন বৈধ বাংলাদেশ News

কুদ্দুস জীবিত হওয়ায় আবু জাফরের মনোনয়ন বৈধ

এক গ্রামের চার কুদ্দুসের ধাধায় মনোনয়ন বাতিল হয়েছিল গাইবান্ধা-৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু জাফরের। তদন্ত রিপোর্টে দেখানো হয় আবু জাফরের মনোনয়নপত্রের সঙ্গে জমা দেয়া কুদ্দুসের স্বাক্ষর জাল। আসলে এই কুদ্দুস মারা গেছে।

কিন্তু আপিল শুনানিতে আবু জাফরের আইনজীবী অ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান নির্বাচন কমিশনারদের জানান, আল্লাহর দুনিয়াতে আমার গ্রামে চারজন কুদ্দুস জীবিত আছেন। কেউ মরেনি। আমি প্রত্যেকের নাম ও ভোটার নম্বরসহ জমা দিয়েছিলাম। কিন্তু তদন্ত প্রতিবেদন বলছে কুদ্দুস মারা গেছে। তবে কোন কুদ্দুসকে তারা মৃত পেয়েছে এমন কোন তথ্য নেই।

সব কুদ্দুস এখনো জীবিত। কেউ মরেনি। অতএব আমার আপিল বিবেচনার অনুরোধ করছি।

পরে নির্বাচন কমিশনাররা সম্মিলিতভাবে সিদ্ধান্ত দেন স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু জাফরের পক্ষে। কুদ্দুস জীবিত প্রমাণিত হওয়ায় মনোনয়ন বৈধ হয় আবু জাফরের।

 

সিইসিসহ কমিশনারদেরকে লিগ্যাল নোটিশ

ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলনকে রাজনৈতিক দল হিসেবে রেজিস্ট্রেশন পুনর্বহাল না করা এবং দলটির প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বাতিল করায় প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ চার কমিশনারকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে। ২৪ ঘন্টার মধ্যে এ ব্যাপারে পদক্ষেপ না নিলে আদালত অবমাননার মামলা করা হবে ।

বৃহস্পতিবার ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলনের সভাপতি, সেক্রেটারি এবং প্রার্থীদের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মনজিল মোরসেদ এই নোটিশ পাঠান।

এতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা ছাড়াও অন্য যাদের নোটিশ পাঠানো হয়েছে তারা হলেন কমিশনার মাহবুব তালুকদার, মো. রফিকুল ইসলাম, কবিতা খানম ও শাহাদৎ হোসেন চৌধুরী।

গত ১৬ অক্টোবর ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলনের নিবন্ধন বাতিল করে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) দেওয়া চিঠির কার্যকারিতা স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে নিবন্ধন বাতিলের সিদ্ধান্ত কেন বাতিল করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন আদালত। এ সংক্রান্ত এক আবেদনের শুনানি শেষে হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলনের সভাপতি ড. কাজী ফারুক আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদের করা এক রিট আবেদনের শুনানি শেষে আদালত ওই আদেশ দেন।

উল্লেখ্য, ২০০৮ সালের ১৬ নভেম্বর ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলনকে নিবন্ধন দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কিন্তু ওই নিবন্ধন বাতিল করে গত ৪ অক্টোবর চিঠি পাঠায় ইসি। ইসির এই চিঠির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন করা হয়। রিটের শুনানি শেষে চিঠির কার্যকারিতা স্থগিত এবং রুল জারি করেন হাইকোর্ট। কিন্তু আদালতের ওই আদেশ বাস্তবায়ন না করায় গতকাল বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশনারদের আইনি নোটিশ পাঠানো হয়।

 

Other News