অসহায় রোহিঙ্গাদের কাছ থেকে চাঁদাবাজি সংবাদ News

অসহায় রোহিঙ্গাদের কাছ থেকে চাঁদাবাজি

 

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সহিংসতার শিকার হয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের অসহায়ত্বকে পুঁজি করে দেশি-বিদেশি গোষ্ঠী ও স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিরা ব্যবসা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। টাকার বিনিময়ে অনুপ্রবেশে সহায়তা, এলাকায় ঘর তুলে ভাড়া দেয়া, বিদেশ থেকে তহবিল আনার সঙ্গে এসব মহল জড়িত।

কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং, বালুখালী, থাইংখালী এবং সীমান্তের জিরো পয়েন্ট ঘুমধুম জলপাইতলি ও তুমব্রু পশ্চিমকূল জিরো পয়েন্ট ঘুরে রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে।


জানা যায়, সর্বহারা রোহিঙ্গারা আশ্রয়ের আশায় উখিয়ার কুতুপালং, বালুখালী, থাইংখালীর ঢালায় বনবিভাগের জায়গায় ঝুপড়ি ঘর নির্মাণের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ব্যাপক চাঁদাবাজি করছে একটি চক্র।

থাইংখালীর ঢালায় আশ্রয় নেয়া মিয়ানমারের মিজ্জালিপাড়ার বাসিন্দা আবুল কাশেম (৫৮) বলেন, অনেক কষ্ট করে একটি জায়গা নিয়ে ঝুপড়ি ঘর নির্মাণের চেষ্টা করলে অপরিচিত কয়েক যুবক এসে টাকা দাবি করে। আমার মতো আরও অনেকের কাছ থেকে তারা টাকা নিয়েছে।

এছাড়া কুতুপালং বস্তি, তুমব্রু পশ্চিমকূলে অবস্থানকারী রোহিঙ্গাদের কাছ থেকেও বিভিন্নভাবে চাঁদা আদায় করার অভিযোগ উঠেছে।

ঘুমধুম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আজিজ বলেন, রোহিঙ্গাদের হয়রানি অথবা ঠকানোর কোনো অভিযোগ পেলে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতায় তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

জানতে চাইলে ৩৪-বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল মনঞ্জুরুল হাসান খান বলেন, সীমান্তের জিরো পয়েন্টে অবস্থানকারী রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তার স্বার্থে বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। কেউ চাঁদাবাজি করলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।

Other News