কদর বেশি গ্রাউন লং ফ্রক লাছা ফ্লোরটাচ বাহুবলীর বিনোদন News

কদর বেশি গ্রাউন লং ফ্রক লাছা ফ্লোরটাচ বাহুবলীর

 

গত কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশের পোশাক বাজারে বিশেষ করে তরুণীদের ক্ষেত্রে ভারতীয় টিভি সিরিয়ালের বেশ প্রভাব রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় এবারের 'ঈদুল আজহা' উপলক্ষ্যেও রাজধানীর বড় বড় মার্কেটগুলোতে গ্রাউন, লং ফ্রক, লাছা, ফ্লোরটাচ, বাহুবলীর দাপট অন্যদের থেকে আলাদা।

ঈদে সাধারণত বেশিরভাগ নারীদের পছন্দ বিদেশি পোশাক। তারপরও নিজেদের অবস্থান ধরে রেখেছে দেশি পোশাক হাউসগুলো। এবার ঈদের বাজারে মেয়েদের পোশাকে শীর্ষে রয়েছে, গ্রাউন, লং ফ্রক, লাছা, ফ্লোরটাচ, বাহুবলি।

তবে দেশ জুড়ে বৃষ্টির প্রভাব, বন্যা আর তীব্র যানজটে রাজধানীর মার্কেটগুলো এখনো জমে ওঠে নি।

 

বুধবার (২৩ আগস্ট) রাজধানীর নিউমার্কেট, গাউছিয়া, এলিফ্যান্ট রোড, মিরপুরসহ বিভিন্ন জায়গা ঘুরে দেখা গেছে ক্রেতাদের ভীড় তেমন একটা নেই। মার্কেট গুলো প্রায় ক্রেতা শুন্য।

রাজধানীর গাউছিয়া মার্কেটের "জরি ঘর" নামক দোকানের মোহাম্মদ রাসেল জানান, 'আমাদের এখানে এখনও ঈদের মূল বেচাকেনা শুরু হয় নি। এটা কোরবানির ঈদ তাই সাধারণত সবাই এখন গরু কেনা নিয়েই ব্যস্ত। তবে আমার আশা করি ঈদের চার পাঁচ দিন আগে থেকে আমাদের বেচাকেনা শুরু হবে।'

এবার ঈদের ক্রেতাদের কাছে কোন পোশাকটির চাহিদা বেশি ও মূল্য কেমন জানতে চাইলে তিনি  বলেন, 'আমাদের এখানে গ্রাউন, শারারা, লাছা, ফ্লোরটার্চ, বাহুবালি এসবই বেশি চলছে।

এখানে ৪ হাজার থেকে শুরু করে ১২ হাজার টাকা পর্যন্ত পোশাকের মূল্য রয়েছে।

 

মৌসুমী গার্মেন্টসের মহসিন বলেন, 'বুটিক পোশাকের কাস্টমার তো বার মাসই থাকে তবে এখন আমাদের বেচাকেনা একেবারে নেই বললেই চলে।'

ঈদের আর মাত্র কয়েকদিন বাকী এখন ক্রেতা শুন্য হওয়ার কারণ , 'মানুষের অর্থনৈতিক অবস্থা, বৃষ্টি ও বন্যার প্রভাব, তীব্র যানজট কোরবানির জন্য গরু কেনা এসব কারণেই আমাদের বেচাকেনা কম।' তবে আমরা আশাবাদী সামনের শুক্রবার বা শনিবার থেকে জমে উঠতে পারে আমাদের ঈদ বাজার।'

 

কি ধরনের পোশাকের চাহিদা বেশি ও মূল্য কেমন জানতে চাইলে তিনি আরো জানান, 'মাস্তানি, জোনাকি, কাঠালি, সিমার এসব পোশাকের চাহিদাই বেশি। বিভিন্ন মূল্যের পোশাক রয়েছে তবে এখানে সর্বনিম্ন ১৫০০ থেকে সর্বোচ্চ ৩৫০০ টাকার পোশাক রয়েছে।

 

Other News